উপকরণ: মিহি কিমা ২ কাপ/ হাফ কেজি, পেঁয়াজ কুচি (মিহি কুচি) ৪টা/ ৮ টেবিল চামচ, কাঁচা মরিচ কুচি ২ টেবিল চামচ, টেস্টিং সল্ট হাফ চা চামচ, লবণ হাফ চা চামচ, ডিম ১টা, বিস্কুটের গুঁড়ো পরিমাণ মত, সয়াসস ১ টেবিল চা চামচ। প্রণালী: পেশা মাংসের সাথে সব উপকরণ ভালভাবে মেখে নিতে হবে। এবার মিশ্রণটিকে ৪ ভাগে ভাগ করে প্রতি ভাগকে পাতার সাইজ করে বিস্কিটের গুঁড়োয় মেখে ডিপ ফ্রিজে হাফ ঘন্টা রেখে দিতে হবে। ডুবো তেলে ভেজে গরম গরম পরিবেশন করতে হবে।
পনির তৈরীর পদ্ধতি হল বিজ্ঞান ও শিল্পের সমন্বয়।পনির প্রস্তুকারকেরা pH লেভেলের পরিমাপের উপর নির্ভর করে ও পনির নির্মাতা তার অভিজ্ঞতালব্ধ নিজস্ব ধারণা থেকে ছাঁচে ঢালা পনিরের গন্ধ শুকে, স্পর্শ করে এবং দেখেই সে পনির নির্মান করে আসছে। পনির তৈরির পদ্ধতিতে রয়েছে বিভিন্নতা, তবে দুধ থেকে পনির তৈরির ক্ষেত্রে মূলত ছয়টি প্রাথমিক ধাপ অনুসরন করা হয়। ১. অম্লত্বকরনঃ পনির তৈরিতে দুধকে ল্যাকটিক এসিডে রূপান্তরের জন্যে পনিরের বীজ মেশানো হয়। এই প্রক্রিয়াটি দুধের এসিডিটি লেভেল পরির্বতন করে এবং তরল দুধকে সলিড আকারে পরিবর্তন শুরু করে। ২. জমাটকরনঃ দুধের জমাট বাধার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্নিত করার জন্য পূনরায় এক প্রকার এনজাইম (Rennet) যোগ করা হয়। ৩. দৈ ও দৈ এর পানি পৃথকীকরণঃ ছুরি অথবা অন্য কিছু দ্বারা জমাট বাধা দৈ কেটে এনে একটি রেক-এ রাখা হয়। এভাবে দৈ থেকে পানি বের করে দেয়া হয়। সাধারনত, যত ছোট করে দৈ গুলো কাটা হবে পনির তত শক্ত হবে। ৪. লবনাক্ত করনঃ পনিরে লবন মেশানো হয় এর স্বাদ ও গন্ধ বৃদ্ধির জন্য। এছাড়া লবন পনির কে নষ্ট হওয়া থেকে দীর্ঘদিন রক্ষা করে। লবন পনিরের উপরে একটি আস্তরন...
উপকরণ: গরুর দুধ আধা কেজি। প্রণালি: দুধ চুলায় দিয়ে জ্বাল দিতে হবে। ফুটে উঠলে চুলা থেকে নামিয়ে কিছুক্ষণ পর ছানার পানি অথবা টক দই দিয়ে ছানা বানাতে হবে, যতক্ষণ দুধ ও ছানা আলাদা হয়ে সবুজ আভা দেখা না যায়। কিছুক্ষণ পর ছানা ভালো করে ধুয়ে পাতলা কাপড়ে টাঙিয়ে রাখতে হবে। ছানার পানি ঝরে গেলে পছন্দমতো মিষ্টি ও সন্দেশ বানানো যায়।
Comments
Post a Comment